Ticker

6/recent/ticker-posts

Ad Code

Responsive Advertisement

আর্তনাদ, হাহাকার আর একটি নিথর দেহ: মেয়েদের নিয়তি কি এটাই?

যার হাতে ছিল আশ্রয়, সেই হাতই কেড়ে নিল প্রাণ 




পশুটি মেয়েটির বুকের ওপর উঠে তাঁর গলা চেপে ধরেছে। মেয়েটি শ্বাসরোধ হয়ে কিছুক্ষণ বাঁচার জন্য ফটফট করছিল। পশুটি তাই দুই হাত শক্ত করে ধরে গলায় আরও জোরে চেপে ধরলো। মেয়েটির দেহ ধীরে ধীরে শীতল হয়ে একসময় নিস্তেজ হয়ে পড়ল। তখন নরপশুটি বুনোউল্লাসে বলে উঠলো শেষ... শেষ...  


এতক্ষণে এ দৃশ্য বাহিরে হতে নিরুপায় হয়ে কিছু মানুষ জানালা দিয়ে দেখেছিল। তাকে বারবার চিৎকার করে লোকজন বলছিল দরজা খোল... দরজা খোল.. এ কাজ করিস না। ততক্ষণে কেউ কেউ আহাজারি করছিল ইস মেরে ফেলেছে রে..মরে গেছে..মেয়েটি মরে গেছে। 


কী ভাবছেন পশুটি কোনো সাইকোকিলার? নাহ্


এই পশুই মেয়েটির স্বামী। যাকে আশ্রয় ভেবে মেয়েটি একদিন বাবা-মা, পরিবার-পরিজন সব পর করে বাড়ি ছেড়েছিল। মেয়েদের এটাই তো রীতি। বাবা মা ছেড়ে, আপন বাড়ি ছেড়ে পর বাড়ি, পর মানুষ আপন করে নিতে হয়। 


যার হাতকে মেয়েটি মনে করেছিল নিরাপত্তা ও ভরসার প্রশ্রয়, সেই হাত-ই মেয়েটির গলা টিপে শ্বাসরোধ করে ধীরে ধীরে বেঁচে থাকার স্বপ্নটুকু কেড়ে নিলো।


আর লিখতে পারছি না.. হাত কাঁপছে। জানি না, এই ভয়াবহ ভিডিও চিত্রটি মেয়েটির বাবা-মা দেখে নিজেদের কীভাবে সংবরণ করেছেন!

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ