শাকিব খানের বহুল প্রতীক্ষিত সিনেমা "রকস্টার" নিয়ে প্রথম প্রতিক্রিয়া! কেমন হলো সিনেমাটি? 🎬
সেকেন্ড হাফে একটা কাঠুরের গল্প দিয়ে শুরু হয়। ওই সিকোয়েন্স দেখে মনে হলো - ফার্স্ট হাফ কি অন্য কেউ বানাইসে? ফার্স্ট হাফের খাপছাড়া নির্দেশনা, ক্রিঞ্জ অভিনয়, শ্লথ চিত্রনাট্য একটা গতি পায়। স্পেশালি, শাকিব খান এর ক্যারেক্টার একটা পরিবর্তন দিয়ে যায়, ওই সময়ে শাকিবের অভিনয়, ভয়েস মডিউলেশন টপনচ।
তুফানেও এই কথা বলেছিলাম যে শাকিব খানের রোম্যান্টিক পার্টের অভিনয়টা হয়না, সিরিয়াস টোনেই ভালো মানায়। শাকিব আর সাবিলা তাও যা একটু ভালো করেছে, কাজী সাবির বাদে বাকি সবার অভিনয় ভুলে যাওয়ার মতো।
ডিরেক্টর একটার পর একটা সুন্দর সিন সাজিয়েছেন কিন্তু তাতে প্রাণ ঢালতে পারেননি। চাঁদে দাগ আছে বলেই চাঁদ সুন্দর। সবকিছু পিকচার পারফেক্ট করতে গিয়ে ছবির ইমোশন, প্রাণ হারিয়েছে। একটা উদাহরণ দেই: নায়িকা বলে তোমার আমার দুনিয়া অনেক আলাদা। নায়ক একবার নায়িকার বাড়িতে যায়, এখানে মোক্ষম সুযোগ ছিল মধ্যবিত্ত একটা পরিবার দেখাবার, তাদের বাড়ি, ডাইনিং স্পেস, কথাবার্তা ডিফারেন্ট দেখানোর। নাহ, সেটাও পিকচার পারফেক্ট দেখাতে হবে।
রকস্টারের সবচেয়ে বড় ভিত্তি ছিল সাবিলার সাথে শাকিবের সম্পর্ক। সেটা শুরু হয়ে যায় এক মিনিটে, কোনো প্রোপার বিল্ডআপ ছাড়া। কোনো স্পেশাল মোমেন্ট ক্রিয়েট হয় না যেটার পে অফ পরে গিয়ে মিলবে। ফলে ক্যারেকটারদের জন্য কিছু ফিল হয়না। আরেকটা বিরক্তিকর ব্যাপার ছিল ব্যাকগ্রাউন্ড স্কোর, মাঝে মাঝে এত লাউড যে সংলাপই শোনা যায় না।
গানগুলো সবই সুন্দর। আহমেদ হাসান সানি একটার থেকে ডিফারেন্ট একটা গানে কণ্ঠ দিয়েছেন। অঙ্কনের গানটাও সুন্দর।
যারা শাকিব ফ্যান, তাদের খুবই ভালো লাগবে। যারা এনিম্যাল ফ্যান, তারা হতাশ হবে। আর যারা নিউট্রাল ফ্যান, তাদের কাছে প্রাণের অভাবে অর্ডিনারি লাগবে। মেশিনগানের বাইরে গিয়ে এক্সপেরিমেন্টাল কিছু করার সাহস দেখানোর জন্য সাধুবাদ।
প্রিন্স এর মতো অখাদ্য দেখার পরে অবশ্যই রকস্টার ভালো লাগবে। এরপরেও ঈদের মাঝে যারা রিক্রিয়েশন এর জন্য মুভি দেখতে চান, তারা অবশ্যই যাবেন। ওয়ান টাইম ওয়াচ হিসেবে ঠিকাছে।

3 মন্তব্যসমূহ
তুফানেও এই কথা বলেছিলাম যে শাকিব খানের রোম্যান্টিক পার্টের অভিনয়টা হয়না, সিরিয়াস টোনেই ভালো মানায়। শাকিব আর সাবিলা তাও যা একটু ভালো করেছে, কাজী সাবির বাদে বাকি সবার অভিনয় ভুলে যাওয়ার মতো।
ডিরেক্টর একটার পর একটা সুন্দর সিন সাজিয়েছেন কিন্তু তাতে প্রাণ ঢালতে পারেননি। চাঁদে দাগ আছে বলেই চাঁদ সুন্দর। সবকিছু পিকচার পারফেক্ট করতে গিয়ে ছবির ইমোশন, প্রাণ হারিয়েছে। একটা উদাহরণ দেই: নায়িকা বলে তোমার আমার দুনিয়া অনেক আলাদা। নায়ক একবার নায়িকার বাড়িতে যায়, এখানে মোক্ষম সুযোগ ছিল মধ্যবিত্ত একটা পরিবার দেখাবার, তাদের বাড়ি, ডাইনিং স্পেস, কথাবার্তা ডিফারেন্ট দেখানোর। নাহ, সেটাও পিকচার পারফেক্ট দেখাতে হবে।
রকস্টারের সবচেয়ে বড় ভিত্তি ছিল সাবিলার সাথে শাকিবের সম্পর্ক। সেটা শুরু হয়ে যায় এক মিনিটে, কোনো প্রোপার বিল্ডআপ ছাড়া। কোনো স্পেশাল মোমেন্ট ক্রিয়েট হয় না যেটার পে অফ পরে গিয়ে মিলবে। ফলে ক্যারেকটারদের জন্য কিছু ফিল হয়না। আরেকটা বিরক্তিকর ব্যাপার ছিল ব্যাকগ্রাউন্ড স্কোর, মাঝে মাঝে এত লাউড যে সংলাপই শোনা যায় না।
গানগুলো সবই সুন্দর। আহমেদ হাসান সানি একটার থেকে ডিফারেন্ট একটা গানে কণ্ঠ দিয়েছেন। অঙ্কনের গানটাও সুন্দর।
যারা শাকিব ফ্যান, তাদের খুবই ভালো লাগবে। যারা এনিম্যাল ফ্যান, তারা হতাশ হবে। আর যারা নিউট্রাল ফ্যান, তাদের কাছে প্রাণের অভাবে অর্ডিনারি লাগবে। মেশিনগানের বাইরে গিয়ে এক্সপেরিমেন্টাল কিছু করার সাহস দেখানোর জন্য সাধুবাদ।
প্রিন্স এর মতো অখাদ্য দেখার পরে অবশ্যই রকস্টার ভালো লাগবে। এরপরেও ঈদের মাঝে যারা রিক্রিয়েশন এর জন্য মুভি দেখতে চান, তারা অবশ্যই যাবেন। ওয়ান টাইম ওয়াচ হিসেবে ঠিকাছে।